Grumpy Fish

Sacred Games

Sometimes I wonder, will God ever forgive us for what we’ve done to each other?
Then I look around and realize , God has left this place a long time ago. “

উপরের এই ডায়লগটি ব্লাড ডায়মন্ড মুভির।

যেটা পুরোপুরি ভাবে যায় নেটফ্লিক্সের প্রথম অরিজিনাল ইন্ডিয়ান সিরিজ, ‘ সেক্রেড গেমস’ এর মুম্বাই এর গণেশ গায়তোন্ডের রাজত্বের সাথে।
আশির দশকের মুম্বাই এ, যেখানে গণেশ একনাথ গায়তোন্ডে , এক হিন্দু ব্রাম্মন ভিক্ষুকের ছেলে, নিজেকে ভগবান বা গড বলে ঘোষনা করে, গড এর অনুপস্থিতিতে ।
আরেকদিকে, সারতাজ সিং, যে কিনা অতিরিক্ত ওজনের , সদ্য ডিভোর্সড হওয়া ,সদা আর্কষন প্রত্যাশী এক পুলিশ অফিসার।
সেক্রেড গেমস এক সমান্তরালে বলে অতীত এবং বর্তমানের কথা, গণেশ গায়তোন্ডের চোখে আশির দশকের মুম্বাই এবং সারতাজ সিং এর দৃষ্টিকোন থেকে বর্তমানের ।
২০০৬ সালের প্রকাশিত হওয়া , বিক্রম চন্দের উপন্যাস ‘ সেক্রেড গেমস ‘ এর উপর ভিত্তি করে নেটফ্লিক্সের এই নতুন সিরিজের গল্প আবর্তিত হয় গণেশ গায়তোন্ডের সর্তকবাণীকে ঘিরে।
২৫ দিন পর মুম্বাই শহর ধ্বংস হয়ে যাবে ; শুধু ত্রিবেদী বেঁচে যাবে।
সারতাজ সিং কে দেয়া এই স্বীকারোক্তি জন্ম দেয় অনেক প্রশ্নের , কে এই গণেশ গায়তোন্ডে?
সে সারতাজ সিং কে কেন বললো কথাগুলো?
২৫ দিন পর কি এমন হবে যে পুরো মুম্বাই ধ্বংস হয়ে যাবে?
ত্রিবেদীই বা কে? সে কেন বাঁচবে?
প্রচন্ড কৌতূহলোদ্দীপক প্রথম এপিসোড নিয়ে যায় আমাদের অনেক গুলো গল্পের সুতোর কাছে।
সব সুতো এক জায়গায় মিলেছে, কিন্তু সুতোর জট ছাড়াতে হলে খুঁজতে হবে পরবর্তী সাত এপিসোডের মাঝে।

প্রথম সিজনের আটটি এপিসোডের প্রতিটি এপিসোড এর নামকরন করা হয়েছে হিন্দু মিথোলজির থেকে।
মজার ব্যাপার হচ্ছে, নামকরনের মাঝেই এপিসোডের চরিত্র দের মাঝে সম্পর্ক আছে।

প্রথম এপিসোড – অশ্বত্থামা

অশ্বত্থামা ‘মহাভারত’ এর একটি চরিত্র।
দ্রোণাচার্যের পুত্র,অশ্বত্থামা কৌরবদের পক্ষে যুদ্ধ করতেন। দুর্যোধনের আদেশে , রাতের আঁধারে পান্ডব দের শিবিরে যায় পাঁচ ভাইকে(যুধিষ্ঠির, ভীম, অর্জুন, নকুল, সহদেব) হত্যা করতে , কিন্তু হত্যা করে পাঁচ ভাইদের পাঁচ সন্তানকে।
যার জন্য শ্রীকৃষ্ণ অশ্বত্থামাকে অভিশাপ দেন যে, ওর কখনো মৃত্যু হবে না।
স্বয়ং গণেশ গায়তোন্ডে বলেছে, আমি অশ্বত্থামা। কারন সে অমর। তার মৃত্যু নেই।

গণেশ গায়তোন্ডে মহাভারতের কোন চরিত্র না, সে মুম্বাইয়ের এককালের ত্রাস হলেও, সে মানুষ।
তবে সে কেন নিজেকে অশ্বত্থামা বলে ঘোষনা দিল?
গণেশ গায়তোন্ডে কি মুম্বাইয়ের ধ্বংসের বাহক হিসেবেই বেঁচে থাকবে???
নাকি নিজেকে অশ্বত্থামার সাথে তুলনা করার মাঝে রয়েছে গূঢ় কোন রহস্য, রয়েছে অতীতের প্রেতাত্নার হাত?

দ্বিতীয় এপিসোড – হলাহল

হিন্দু মিথোলজিতে, একবার দেবতা এবং অসুরদের সাথে যুদ্ধে দেবতারা হেরে যান। স্বর্গ থেকে বিতাড়িত হন দেবতারা।
উপায় না পেয়ে দেবতারা শরনাপন্ন হন নারায়ণ দেবের। নারায়ণ দেব বুদ্ধি দেন, সমুদ্র মন্থন করতে, যেন অমৃত উঠে আসে এবং সেই অমৃত পান করে দেবতারা অসুরদের হারাতে পারবে।
যে বলা সেই কাজ, দেবতারা অমৃতের ভাগ দেবার কথা বলে অসুরদের সাথে মিলে সমুদ্র মন্থনে নামে।
মন্থন কাজে ব্যবহার করা হলো মন্দার পর্বত এবং নাগরাজ বাসুকী নাগ কে।
তো সমুদ্র মন্থনে উঠে আসে হলাহল নামের বিষ, যে বিষে জগৎসংসার ধ্বংস হবার উপক্রম হয়।
উপায় না দেখে মহাদেব সেই হলাহল বিষ ধারন করে নিজ গলায়, দেবী পার্বতী এসে গলা ধরে থাকেন যেন শরীরে প্রবেশ করতে না থাকে, সেই বিষের কারনে মহাদেবের কন্ঠ নীল হয়ে যায়, যার কারনে নাম হয়, নীলকন্ঠ।
তো, এই সেক্রেড গেমস সিরিজে হলাহল হচ্ছে গায়তোন্ডের ২৫ দিনের পরের হুমকি, যা দ্বারা ধ্বংস হবে পুরো মুম্বাই। তাই, সে খবর জানার পর, মুম্বাইকে রক্ষা করতে , আসে সারতাজ সিং, যাকে এই সিরিজে মহাদেবের প্রতীক হিসেবে দেখানো হয়েছে।
সারতাজ পদে পদে লাঞ্জনার শিকার হয়, তবু ভার নেয় ২৫ দিনের মাঝে মুম্বাইকে বাঁচানোর।

তৃতীয় এপিসোড – আতাপি ভাতাপি

এই এপিসোডে গুরুজি আতাপি ভাতাপির কথা বলে।
আতাপি ভাতাপি হচ্ছে দুই রাক্ষস ভাই।
আতাপি তার ছোট ভাই ভাতাপি কে সুস্বাদু খাবারে পরিনত করে এবং কোন পথচারী কে ডেকে এনে আদর আপ্যায়ন করে সেই খাদ্যে পরিনত ভাতাপিকে দিয়ে।
যেই নির্দোষ পথচারী আদর আপ্যায়নে সন্তুষ্ট হয়ে নিজ পথ ধরে যেতে থাকে, আতাপি ডাক দেয় ছোট ভাইকে।
আর ভাতাপি পথচারীর পেট চিরে বের হয়ে আসে এবং দুজনে মিলে ভক্ষণ করে সেই পথচারীকে।
সিরিজে , আতাপি ভাতাপির সাথে তুলনা করা হয়েছে ধর্মকে, যারা কট্টরপন্থী , তাদের সাথে।

চতুর্থ এপিসোড – ব্রম্মহত্যা
হিন্দু সমাজে, ব্রম্মহত্যা বলতে বোঝায় ব্রাম্মন হত্যা কে।
কিন্তু, ব্রম্মহত্যা দ্বারা বোঝায় যে কোন প্রানীর হত্যা, কারন সব প্রাণীর মাঝেই ঈশ্বর বা ব্রম্মা বাস করেন।

গণেশ এই এপিসোডে মানুষ মেরে সেই ব্রম্মহত্যাই করে।
পঞ্চম এপিসোড – সরমা

ঋগবেদে আছে, সরমা হচ্ছে স্বর্গের রাজা ইন্দ্রের কুকুর।
এই এপিসোডে সরমা হচ্ছে সারতাজ সিং। ন্যায়বিচার হচ্ছে না জেনেও, উপরমহলের নির্দেশ মেনে মিথ্যা কথা বলে সারতাজ।
সবাই নতজানু তাদের উপরমহলের কাছে, নির্দেশ মানতে বাধ্য হয়, সরমার মত।

ষষ্ঠ এপিসোড – প্রেতকল্প

প্রেতকল্প হচ্ছে গরুড় পুরাণের পরবর্তী খন্ড, যেখানে হিন্দুদের মৃত্যুর পর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময় যে মন্ত্র পড়া হয় , সেটা নিয়ে বলা হয়েছে।
বলা হয়েছে কর্মফলের ধারণা নিয়ে মৃত্যুর পর আত্না কোথায় যায়, জীবন- মৃত্যুর যে একটা চক্র সেটা নিয়ে।
এই এপিসোডে, সারতাজ সিং এর বেশ কাছের একটা চরিত্র খুন হয় এবং সেই মৃত্যুর পর সেই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আগে সারতাজ সিং মেরে ফেলে সেই হত্যাকারী কে এর হত্যাকারীকে, সেই সাথে নিজের পুরনো সত্ত্বাকে, এবং জন্ম নেয় নতুন সারতাজ ।

যে সারতাজ আগে দ্বিধা- দ্বন্দ্বের মাঝে থাকত, সত্য-মিথ্যার দোলাচলে আহত হতো চিন্তা, সেই সারতাজ আবিষ্কার করে নিজের নতুন এক দিক কে।

সপ্তম এপিসোড – রুদ্র

রুদ্র হচ্ছে ঋগবেদের একজন দেবতা, যিনি ছিলেন বজ্র বিদ্যুৎ সহ ঝড়ের দেবতা।
উনাকে তুলনা করা হয় ধ্বংসের দেবতা হিসেবে। শিবের আরেকনাম ও রুদ্র , যিনি ধ্বংস এবং প্রলয়ের দেবতা ।
এই এপিসোডে গণেশ এর স্ত্রী সুভদ্রা মারা যায় গোলাগুলিতে।
প্রিয়তমা স্ত্রীর মৃত্যু , গায়তোন্ডের হিন্দু সত্ত্বা কে জাগিয়ে তোলে এবং এক রাতে প্রলয়কান্ড ঘটিয়ে ৮০ জন নিরীহ মুসলিম কে হত্যা করে।
গণেশ এই এপিসোডের রুদ্র।

অষ্টম এবং শেষ এপিসোড – যযাতি

মহাভারতে বলা আছে, পান্ডব- কৌরব বংশ আসে রাজা পুরুর থেকে।
আর সেই রাজা পুরুর বাবা ছিলেন যযাতি।
যযাতি দৈত্যদের গুরু শুক্রাচার্যের অভিশাপের হাজার বছরের জন্য জরা বা বার্ধক্য পায়।
অনেক অনুরোধের পর , শুক্রাচার্য বলেন, আচ্ছা ঠিক আছে , তোমার কোন পুত্র যদি তোমার জরা নিতে রাজি হয়, তবে তুমি এই শাপ থেকে মুক্তি পাবে।
যযাতির ছিল দুই স্ত্রী ; দেবযানী এবং শর্মিষ্ঠা ।
দেবযানীর দুই ছেলে জরা নিতে রাজি হলো না তবে শর্মিষ্ঠার কনিষ্ঠ পুত্র , পুরু উদারচিত্তে রাজি হয় নিজের পিতার দায়ভার নিজের উপর নিতে।

সেক্রেড গেমসে যযাতি হচ্ছে গুরুজী, যিনি নিজের লক্ষ্য , নিজের উদ্দেশ্য সাধনের সব দায়ভার দেয় গায়তোন্ডের উপর। যে উদ্দেশ্যের কেন্দ্রে আছে পিলে চমকানো এক পরিকল্পনা।
যে পরিকল্পনা বোঝা যায়, এই এপিসোডের একদম শেষ মুহূর্তে
গায়তোন্ডে গুরুজীকে তৃতীয় বাবা বলেও উল্লেখ করে।

উল্লেখযোগ্য কেন্দ্রীয় চরিত্রের মাঝে,
গণেশ গায়তোন্ডে চরিত্রে আছেন নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকী , সারতাজ সিং চরিত্রে আছেন সাইফ আলি খান।
এছাড়াও ‘ র ‘ এজেন্ট চরিত্রে আছেন রাধিকা আপ্তে। কুক্কু চরিত্রে, কুবরা সাইত।
৮ টি এপিসোড পরিচালনা করেছেন দুই গুণী পরিচালক মিলে ; অনুরাগ কশ্যপ এবং বিক্রমাদিত্য মোটোয়ানে।
সেক্রেড গেমসের গণেশ গায়তোন্ডের ন্যারেটিভ , অর্থাৎ নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকীর চোখে অতীতের মুম্বাই কে তুলে ধরেছেন অনুরাগ কশ্যপ এবং সারতাজ সিং, অর্থাৎ বর্তমানের অংশ টি পরিচালনা করেছেন বিক্রমাদিত্য মোটোয়ানে।

সেক্রেড গেমস সিরিজটাতে গণেশ গায়তোন্ডের দর্শন উঠে আসে, দেখা যায় জাদু বাস্তবতার মত এক উত্থান , যেখানে এক ব্রাম্মন এর সন্তান নিজ হাতে নিজের মা কে হত্যা করে, কুক্কুর জাদুর জন্য চ্যালেঞ্জ করে বসে সমসাময়িক মুম্বাইএর ডন , সুলাইমান ঈসা কে।

গণেশ গায়তোন্ডে এবং সুলাইমান ঈসা , দুটি চরিত্রই কিন্তু বাস্তব মানুষের উপর ভিত্তি করে বানানো।
গণেশ চরিত্র টি ছোটা রাজন এবং সুলাইমান ঈসা , আন্ডারওয়ার্ল্ড এর ডন, দাউদ ইব্রাহিমের উপর ভিত্তি করে।

নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকীর অনবদ্য অভিনয় সাথে অনুরাগ কশ্যপের পরিচালনা, গণেশ গায়তোন্ডের দর্শনকে দর্শকের মনে খোঁচা দিতে বাধ্য করে।

ধর্ম গায়তোন্ডের কাছে মনে হয়েছে শুধুই এক ব্যবসা।
তার কাছে, ধর্ম হচ্ছে রাজনীতির দাবা খেলায় মহা শক্তিশালী এক গুটি, যেখানে রক্তাক্ত হয় সাধারন মানুষ, দিনশেষে রাজারা থাকে বহাল তবিয়তে।
গায়তোন্ডে নিজেও ধর্মের উপর ভিত্তি করে দলের মধ্যে ভাগ হতে দেয়নি। তার ধর্মে সব ধর্মের লোকই ছিল।
কিন্তু এক রাতে , শুধুমাত্র একটা রাতেই ৮০ জন মুসলিম কে হত্যা করে ও। বাবরি মসজিদ ভাংগার ঘটনার সময়কার কথা সেটা।
হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা চলছে।
এর মাঝে ভালবাসার মানুষের মৃত্যু , ওকে বানিয়ে দেয় প্রলয়ংকরী এক সাম্প্রদায়িক ঝড়।
গায়তোন্ডের ভাষায় সেক্রেড গেমস সিরিজে উঠে এসেছে তৎকালীন অনেক ঘটনা, রাজীব গান্ধীর বোফোর্স কেলেংকারী, পুরুষদের বন্ধ্যাত্বকরন প্রকল্প, বাবরি মসজিদ ভাংগা এমন অনেক ঘটনা।
অনুরাগ কশ্যপ স্বভাবমত তুলে ধরেছেন এমন অনেক কিছু , যা ভারতীয় উপমহাদেশে এখনো সার্বজনীন গ্রহনযোগ্যতা পায়নি।
যেমন, নগ্ন দৃশ্য এমনভাবে উপস্থাপন করেছেন , যেন মনে হয় পরিস্থিতির জন্য দরকার ছিল এটি।
কোন অতিরঞ্জিত যৌনাবেদন নেই, নেই অযথা জাঁকজমকপূর্ন সংগীতায়োজনের চেষ্টা।
তারপর, ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিত্বকে যথাযথভাবে উপস্থাপন করা।
ট্রান্সজেন্ডার দের বেশ মর্যাদাহানিকর ভাবে উপস্থাপন করা হয় রূপালী পর্দায়, যতটুকুই উপস্থাপন করা হয়েছে।
সেখানে অনুরাগ কশ্যপ কট্টরপন্থী দের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করেছেন অবলীলায়, ট্রান্সজেন্ডার চরিত্র উঠে এসেছে সিরিজে অন্যতম চরিত্র হিসেবে সাবলীলভাবে।
অন্যদিকে , সারতাজ সিং , ডিভোর্সড এক পুলিশ অফিসার, যার ক্যারিয়ারে বলার মত কোন কিছু নেই।
সারতাজ খোঁজে থাকে এক বিগ ব্রেকের, যেটার গন্ধ পায় যখন গণেশ গায়তোন্ডে তাকে ফোন দেয়।
কিন্তু ২৫ দিন পর মুম্বাই ধ্বংস হবে বলে সারতাজ কে ধাঁধায় ফেলে দেয় গায়তোন্ডে।
ধাঁধার উত্তর খুঁজতে চায় সারতাজ, কিছু একটা করে দেখানোর এক অদম্য ইচ্ছা, এই বড় সুযোগ হাতছাড়া করতে চায়না ও।
কিন্তু বাঁধা আসে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার থেকে।
গণেশ গায়তোন্ডের নাম শুনে নাক গলায় ভারতীয় ইন্টিলইজেন্স এজেন্সি, ‘ র ‘।
‘ র ‘ এজেন্ট অঞ্জলি মাথুর সুযোগ বুঝে কাজে লাগায় সারতাজ সিং কে।
কিন্তু ঘটনার জট যতই খুলতে থাকে, আলোতে আসে বেশ কিছু চমকপ্রদ নাম।
কিন্তু, সবথেকে বড় চমক আসে শেষ এপিসোডের একদম শেষ মুহুর্তে ।

সব মিলিয়ে, এই সিরিজ টি ভারতীয় উপমহাদেশের রূপালী জগতেরই এক নতুন অধ্যায়।
কাহিনীর সাহসী উপস্থাপন, প্রতিটি চরিত্রের যথাযথ এবং সাবলীল অভিনয় , গল্পের গভীরতা … সব মিলিয়ে সেক্রেড গেমস বেশ একটা আলোড়ন তৈরী করতে পেরেছে।
সেক্রেড গেমস শুধু নামের মত এক পবিত্র খেলা নয়, এ খেলা হচ্ছে যুদ্ধ ।
রক্তযুদ্ধ।

আশাবাদ থাকবে এই আলোড়ন লাগবে আমাদের বাংলাদেশের রূপালী জগতেও, সারা বিশ্বের মানুষের মুখে থাকবে আমাদের বাংলাদেশের কিছু গুণী মানুষের নাম।